দুই বিলিয়ন ডলার আকু পরিশোধের পর রিজার্ভ ৩০ বিলিয়নের নিচে নেমে এলেও, দুই কিস্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংক, ২২টি বাণিজ্যিক ব্যাংকের কাছ থেকে ৪৮৪ মিলিয়ন ডলার কেনার পর, তা আবার ৩০ মিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছে।
সেই সাথে গেল ১ থেকে ১৩ জুলাই পর্যন্ত দেশে রেমিট্যান্সও এসেছে ১ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি।
বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, কেনা ১ ডলারও তারা বিক্রি করবে না। তার ওপর রেমিট্যান্সে ভর করে আরো সমৃদ্ধ হবে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ।
মে ও জুন মাসের আমদানি বিল বাবদ এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়ন-আকু’র মাধ্যমে ২ বিলিয়ন ডলারের বেশি পরিশোধের পর ৭ জুলাই দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ২৯ দশমিক ৫২ বিলিয়ন ডলারে নেমে আসে। যদিও সেদিনই বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছিলো এটি শিগগিরই আবার ৩০ বিলিয়নের ঘর অতিক্রম করবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, ডলারের দরপতন ঠেকাতে ১২১ টাকা ৫০ পয়সা রেটে প্রথমে ১৮টি ব্যাংক থেকে ১৭১ মিলিয়ন ডলার এবং পরে ২২টি ব্যাংকের কাছ থেকে আরও ৩১৩ মিলিয়ন ডলার সংগ্রহ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ফলে দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আবার বেড়ে ৩০ দশমিক ০২ বিলিয়ন ডলার ছুঁয়েছে। বিপিএম-৬ অনুযায়ী দেশে এখন রিজার্ভের পরিমাণ ২৪ দশমিক ৯৯ বিলিয়ন ডলার।
এ মাসের প্রথম ১৩ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১ দশমিক ১৯ বিলিয়ন ডলার। মাস শেষে তা ২ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করবে যে সেটি নিশ্চিত।
বিআইবিএম’ সাবেক মহাপরিচালক তৌফিক আহমেদ চৌধুরী জানান, রেমিট্যান্সের এই ধারা অব্যাহত থাকলে এবং বাংলাদেশ ব্যাংক ডলার কিনতেই থাকলে, সময় লাগলেও দেশে রিজার্ভ আবার সেই পূর্বের ৪৬ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করবে।
